BengaliTut.Com

Saturday, March 16, 2019

কিভাবে Blogger সাইটে Contact Form বসাবেন

March 16, 2019 0
প্রতিটি ওয়েবসাইটে একটি Contact পেইজ থাকা আবশ্যক। গুগলে ভালো র্যাংক বলেন বা অ্যাডসেন্স পলিসি বলেন একটি কন্টাক্ট পেইজ থাকতেই হবে। তাছাড়া Contact Page থাকলে ভিজিটররা আপনার সাইটকে অনেক বেশি বিশ্বাস করবে। সে জাই হো বন্ধুরা, আজকে আমি দেখাবো কিভাবে আপনার ব্লগার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে একটি কন্টাক্ট ফর্ম বসাবেন নিচের ছবিটির মত।

Form টির সুবিধাঃ

  • ভিজিটররা যে মেসেজ পাঠাবে তা সরাসরি আপনি যে Gmail দিয়ে Blog খুলেছেন সেই Gmail Account এ চলে যাবে এবং আপনি সেখান থেকে Reply দিতে পারবেন।
  • এই Contact Form এর কোডটি খুবই ছোট তাই সাইট লোডিং নিয়ে কোন সমস্যা হবেনা
  • সামান্য কোডিং জ্ঞান থাকলে নিজের ইচ্ছামত কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন।

  • Contact Form কিভাবে সেট করবেনঃ

    প্রথমে আপনার Blog এর Dashboard এ চলেযান তারপর >> Settings >> Pages >> New Page >> এখানে Page এর নাম দিবেন Contact Us এবং Page Content এ HTML করে নিচের কোডটা কপি করে নিয়ে বসিয়ে দিন।
    বিঃদ্রঃ Code এর ভিতরে লক্ষ করুন একটা আছে BLOGID HERE এই লেখাটা কেটে আপনার Blog id বসিয়ে দিন। ব্লগার আইডি কি না জানলে নিচের ছবিটা দেখুন

    <div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"> <big><span style="color: orange;">Contact With Our Control Panel</span></big> <script> var blogId = 'BLOGID HERE';//this number should be mandatorily edited. //The below message 5 Strings can also be edited var contactFormMessageSendingMsg ='Sending...'; var contactFormMessageSentMsg = 'Your Message Has Been Sent Successfully !!'; var contactFormMessageNotSentMsg = '⚠ Message Could Not Be Sent. Please Try Again Later.'; var contactFormEmptyMessageMsg ='✘ Message field cannot be empty.'; var contactFormInvalidEmailMsg = 'A valid email is required.' var widgetLoaded=false; function sendEmailMsg() { if(widgetLoaded== false) { _WidgetManager._RegisterWidget('_ContactFormView', new _WidgetInfo('ContactForm1', 'sidebar', null, document.getElementById('ContactForm1'), {'contactFormMessageSendingMsg': contactFormMessageSendingMsg , 'contactFormMessageSentMsg': contactFormMessageSentMsg , 'contactFormMessageNotSentMsg': contactFormMessageNotSentMsg , 'contactFormInvalidEmailMsg': contactFormInvalidEmailMsg , 'contactFormEmptyMessageMsg': contactFormEmptyMessageMsg , 'title': 'Contact Form', 'blogId': blogId, 'contactFormNameMsg': 'Name', 'contactFormEmailMsg': 'Email', 'contactFormMessageMsg': 'Message', 'contactFormSendMsg': 'Send', 'submitUrl': 'https://www.blogger.com/contact-form.do'}, 'displayModeFull')); widgetLoaded=true; document.getElementById('ContactForm1_contact-form-submit').click(); } return true; } </script> <span style="color: red;">* this mark box must be required</span> <form name="contact-form"> <div> Your Name :* </div> <input class="contact-form-name" id="ContactForm1_contact-form-name" name="name" size="30" type="text" value="" /> <div> Your Email: <em>*</em></div> <input class="contact-form-email" id="ContactForm1_contact-form-email" name="email" size="30" type="text" value="" /> <div> Your Message: <em>*</em></div> <textarea class="contact-form-email-message" id="ContactForm1_contact-form-email-message" name="email-message" rows="5"></textarea> <input class="contact-form-button contact-form-button-submit" id="ContactForm1_contact-form-submit" onclick="sendEmailMsg()" type="button" value="Send Now" /> <div style="max-width: 450px; text-align: center; width: 100%;"> <div class="contact-form-error-message" id="ContactForm1_contact-form-error-message"> </div> <div class="contact-form-success-message" id="ContactForm1_contact-form-success-message"> </div> </div> </form> </div>



    কোড বসিয়ে Publish এ ক্লিক করুন, ব্যস কাজ শেষ এবার ভিজিট করে দেখুন Contact Form তৈরি হয়ে গিয়েছে।
    কোনকিছু বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন।

    Wednesday, March 13, 2019

    SSL কি? এর কাজ কি?

    March 13, 2019 0

    বর্তমান যুগ অনলাইনের যুগ। ইন্টারনেট ছাড়া এখন একটি দিনও কল্পনা করা যায় না। ইন্টারনেটে আমরা সবাই প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কাজ করে চলেছি। এসব কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় আমাদের David Card, Credit Card, Master Card ইত্যাদির তথ্য বিভিন্ন ওয়েবসাইটে দিতে হয়। যেমনঃ অনলাইনে সপিং করলে তার পেমেন্ট করার জন্য বিভিন্ন কার্ড প্রয়োজন হয়। আপনি কি একবারও চিন্তা করেছেন যে সাইটে কার্ডের তথ্য দিচ্ছেন ঐ সাইটটা নিরাপদ কিনা?

    SSL কি?

    SSl হচ্ছে একটি সংক্ষিপ্ত নাম যার পূর্ণ রূপ হলোঃ Secure Sockets Layers .. এটি মূলত একটি Encryption Protocols যা একটি ওয়েবসাইটের তথ্যকে একটি সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে থাকে এবং এই সুরক্ষার চিন্হ হিসাবে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করে।
    এই সার্টিফিকেট একটি ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারীকে তাদের তথ্যের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে থাকে। SSL অনেকের কাছে TLS নামেও পরিচিত যার পূর্ণ রূপ হলোঃ Transport Layer Security Protocol
    বর্তমানে প্রায় সব ব্রাউজারে, SSL icon থাকে। ব্রাউজার এর Address Bar এ থাকা সবুজ তালা চিহ্ন বা সবুজ সাইন ক্লিক করে ব্যবহারকারীরা সেই ওয়েবসাইটের সার্টিফিকেট সম্পর্কে জানতে পারবে। তাই বলা যায় বর্তমানের মোবাইল এবং কম্পিউটার ব্রাউজার গুলো অনেক স্মার্ট।


    SSL এবং TLS Protocols শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, ইমেইল, SFTP এবং অন্যান্য আরও কাজে এটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেসব সাইটে পেমেন্ট করার সুবিধা থাকে সেখানে এই SSL থাকা বাধ্যতামূলক।
    আপনি যদি পেমেন্ট করার সময় কোনও সাইটে এই SSL দেখতে না পান তাহলে ওই সাইটের মাধ্যমে কখনোই কোনও ধরনের টাকা ট্র্যান্সফার করবেন না। এখনকার ব্রাউজারগুলো অনেক স্মার্ট। আপনাকে ব্রাউজার নিজেই বলে দিবে এই ওয়েবসাইটে পেমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন কিংবা এই ওয়েবসাইটে আপনার তথ্য সুরক্ষিত নয়।
    আজকের মত এখানেই শেষ করছি, কোনকিছু বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন।

    Facebook এ বিরক্তিকর Tag থেকে বাঁচার উপায়

    March 13, 2019 1

    বর্তমানে Facebook ব্যাবহার করেনা এরকম লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ চায় নিজেকে অন্যের কাছে তুলে ধরতে। মানুষ নিজের সম্পর্কে বলতে ভালোবাসে আর এই সুযোগটা করে দিয়েছে ফেসবুক। নিজেকে প্রকাশ করার অন্যতম একটা মাধ্যম হলো ফেসবুক। তাই প্রতিটা ফেসবুক ব্যাবহারকারি চায় নিজের প্রোফাইলকে অন্যরকম ভাবে সাজাতে। কিন্তু অন্যেরা যখন আপনাকে কোনকিছু Tag করে তা আপনার Facebook Timeline বা Profile এ চলে আসে যা খুবই বিরক্তিকর লাগে। Tag করলে প্রচুর Notification আসতে থাকে যা খুবই বিরক্তিকর একটা ব্যাপার। তাই আজকে আমি এ সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় বলব। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
    প্রথমে Facebook এর Settings & Privacy তে চলে যান। আমি Opera Mini Browser দিয়ে দেখাচ্ছি আপনি অন্য ব্রাউজার বা অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাপ দিয়েও করতে পারেন।

    এবার Timeline & Tagging এ ক্লিক করুন

    তারপর নিচের ছবিতে দেখানো দুটো অপশন On করে দিন।

    ব্যাস কাজ শেষ, এবার কেও আপনাকে Tag করলে আপনি যতক্ষণ না সেই Tag টি রিভিও করবেন ততক্ষণ তা আপনার Profile বা Timeline এ আসবে না। এবং আপনার কাছে বিরক্তিকর নোটিফিকেশনও আসবে না।
    আশা করি পোস্ট টি আপনার একটু হলেও উপকারে এসেছে তাই অনুগ্রহ করে পোস্ট টি ফেসবুকে শেয়ার করুন। আর এরকম আরো পোস্ট পেতে আমাদের সাথে থাকুন।

    দেখে নিন Wordpress এ পোস্টের ভিতরে কিভাবে Code দিবেন

    March 13, 2019 0

    আপনি আপনার Wordpress সাইটের পোস্টে কোড দেখাতে চান বা কোন কোড আপনার ইউজারদের সাথে শেয়ার করতে চান? আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের পোস্টে সরাসরি কোড দিতে পারবেন না, কোড দিলে ওয়ার্ডপ্রেস তা অটোমেটিক ফিল্টার করে রাখে যার কারনে সাইটের ভিজিটররা এ কোড দেখতে পারেনা। আজকে দেখাবো কিভাবে পোস্টের ভিতরে কোড দেখাবেন
    প্রথমে নিচের লিংক থেকে প্লাগিনটা ডাউনলোড করে আপনার সাইটে ইনষ্টল করে নিন।
  • Syntax Highlighter Evolved Plugin

  • তারপর প্লাগিনটি এক্টিভ করে নিন। এটাতে Default যে সেটিং থাকবে তা রাখতে পারেন অথবা আপনি ইচ্ছামত সেটিং করে নিতে পারবেন।

    Post এ কোড দেখানোর জন্য কিছু Short Code বা BB Code আছে। যেমনঃ Php Code দেখাতে চাইলে
    [php] <?php echo “Hello World”; ?> [/php]

    এভাবে দিবেন।

    আর যদি Css Code দেখাতে চান তাহলে
    [css] .entry-title { font-family:”Open Sans”, arial, sans-serif; font-size:16px; color:#272727; } [/css]

    এভাবে দিবেন।

    এই Plugin এর মাধ্যমে এভাবে কোড দিলে ভিজিটররা খুব সহজেই কোড কপি করে নিতে পারবে।
    কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন।

    Tuesday, March 12, 2019

    Wifi Connect থাকা মোবাইল থেকে Bluetooth এর মাধ্যমে অন্য মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যাবহার করুন

    March 12, 2019 2

    মনে করুন আপনার বন্ধুর মোবাইলে একটা Wifi কানেক্ট করা আছে কিন্তু আপনি তার পাসওয়ার্ড জানেন না এবং আপনিও চান ঐ Wifi টা ব্যবহার করতে। তাহলে আজকের পোস্ট টা আপনার জন্যই। আজকে দেখাবো কিভাবে Wifi Connected মোবাইল থেকে Bluetooth এর মাধ্যমে অন্য একটা মোবাইলে ইন্টারনেট চালাবেন। আর কথা না বলে চলুন শুরু করা যাক।
    প্রথমে Wifi Connected মোবাইল এর Settings এ চলে যান তারপর নিচের ছবি গুলো ফলো করুন।


    তারপর Bluetooth Tethering টা অন করে দিন।

    এবার যে মোবাইলে ইন্টারনেট চলাবেন ঐ মোবাইল এর Bluetooth চালু করুন এবং Wifi Connected মোবাইল এর সাথে Pair বা Connect করুন। এবার নিচের মত Settings icon এ ক্লিক করুন

    এবার Internet Access টা চালু করেদিন।

    ব্যস কাজ শেষ, এবার ইচ্ছা মত ইন্টারনেট চালাতে থাকুন। মোবাইল যদি ভালো হয় তাহলে ভালো স্পিড পাবেন।

    Monday, March 11, 2019

    ডাউনলোড করে নিন Action Director Pro Version apk

    March 11, 2019 0

    আমরা যারা YouTube এ কাজ করি তাদের সবচেয়ে জরুরি একটা বিষয়ের মধ্যে অন্যতম হলো ভিডিও এডিটর। ভিডিওকে সুন্দর করে উপস্থাপন করার জন্য অবশ্যই ভিডিও এডিট করা লাগে। আর এসব কাজের জন্য অনেকে অনেক রকম ভিডিও এডিটর ব্যবহার করে থাকে। জনপ্রিয় কিছু ভিডিও এডিটর এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো Action Director… বন্ধুরা আজকে আমি এই ভিডিও এডিটর টির Pro Version শেয়ার করবো। Play Store থেকে ডাউনলোড করা ফ্রি ভার্শন এরচেয়ে অনেক বেশি সুবিধা পাবেন Pro Version এ। Action Director বেশ জনপ্রিয় একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। অ্যাকশন ডিরেক্টর ব্যবহার করে খুব সহজেই ভিডিও এডিটিং করা সম্ভব। অ্যাপটিতে থাকা ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও কাটিং, থিম, মিউজিক, ফিল্টার, ইফেক্ট, ট্রানজিশন ব্যবহার করে অসাধারণ সব ভিডিও এডিট করতে পারবেন।
    4K সাপোর্ট করে এমন ভিডিও এডিটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এই অ্যাকশন ডিরেক্টর। অ্যাপটিতে প্রয়োজনীয় ফাংশনগুলোর পাশাপাশি স্পিড এডিট, ভিডিও স্ট্যাবিলাইজার, স্লো মোশন, ফাস্ট মোশন, ভিডিও হাইলাইটিং সহ বেশ কিছু ফাংশন রয়েছে।
    গুগল প্লে স্টোর হতে অ্যাকশন ডিরেক্টর ডাউনলোড করা যাবে। এই অ্যাপটির একটি ভালো দিক হলো যে এটি ডেভলপার কর্তৃক খুব ঘন ঘন আপডেট পায়। অ্যাকশন ডিরেক্টর অ্যান্ড্রয়েড ৪.৩ থেকে পরবর্তী সকল ভার্সনই সমর্থন করে।
    তাহলে বন্ধুরা আর দেরি না করে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন।
    Download
    বিঃদ্রঃ ডাউনলোড করার পর আপনি ফাইলটা .zip Format এ পাবেন, ইনষ্টল করার পূর্বে ফাইলটা এক্সট্রাক্ট করে নিবেন। Extract করার জন্য Zarchiver.apk ব্যবহার করতে পারেন।

    [Css Fun] এবার আপনার সাইটের Background Color Automatically পরিবর্তন হবে

    March 11, 2019 0

    বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের সাথে এমন একটা Css Code শেয়ার করবো যা আপনার সাইটে বসালে সাইটের Background Color Automatic পরিবর্তন হবে কিছুক্ষণ পর পর। যেহেতু কালার অটোমেটিক কিছুক্ষণ পর পর পরিবর্তন হবে তাই আমি স্ক্রিনশট দিতে পারছি না। তাহলে বন্ধুরা চলুন দেখে আসি কিভাবে কোডটা আপনার সাইটে বসাবেন।
    এটা তেমন কঠিন কাজ নয় শুধু নিচে দেওয়া কোডটা কপি করে আপনার সাইটের
    <style> </style>
    ট্যাগ এর মধ্যে বসিয়ে দিন, ব্যাস আর কিছু করা লাগবে না।
    body { width:100%; height:100%; color:black; font-weight:bold; animation: myanimation 10s infinite; } @keyframes myanimation { 0% {background-color: red; } 25%{background-color: yellow; } 50%{background-color: green; } 75%{background-color: brown; } 100% {background-color: red; } }

    কোড বসানোর পর আপনার সাইট ভিজিট করে দেখুন অবাক হয়ে যাবেন। তবে এটা সব ব্রাউজারে সাপোর্ট করবে না এটা শুধু সেসব ব্রাউজারে সাপোর্ট করবে যেসব ব্রাউজার জাভাস্ক্রিপ্ট সাপোর্ট করে।
    কোডে এনিমেশন টাইম ১০ সেকেন্ড দেওয়া আছে আপনি ইচ্ছা করলে তা পরিবর্তন করতে পারেন।

    Sunday, March 10, 2019

    দেখে নিন কিভাবে Blogger Blog এর Sitemap Google Search Console এ Submit করবেন

    March 10, 2019 0

    Blogger বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্রি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম। এখানে অনেক সুবিধা রয়েছে। তাছাড়া যারা মাত্র শুরু করেছেন তাদের জন্য ব্লগার হলো সবচেয়ে সেরা প্ল্যাটফর্ম কারন ওয়ার্ডপ্রেস হলো পেইড আর ব্লগার হলো ফ্রি। ব্লগারে আপনি সবগুলো সুবিধা ফ্রি পাবেন।
    বন্ধুরা আজকে আমি আলোচনা করবো কিভাবে আপনার Blogger ব্লগের Sitemap Google Search Console এ Submit করবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। তবে তার আগে আমাদের জেনে নিতে হবে যে Sitemap জিনিসটা কি? এবং এটা কি কাজে লাগে?

    Sitemap কি?

    Sitemap মূলত আপনার ওয়েবসাইট এর একটা ম্যাপ। অনেক সময় গুগলে আপনার সাইট আসে না যদিও আপনার সাইটে সে পোস্ট টি ছিলো যে কিওয়ার্ড দিয়ে আপনি সার্চ করেছেন তার কারন হলো : আপনি Sitemap টি ভালোভাবে সাবমিট করেন নি।
    Sitemap সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ html ও xml
    html Sitemap আপনার সাইটের ভিজিটর বা ইউজার দের বলে দেয় যে আপনার সাইটের কোথায় কি আছে, বা আপনার সাইটের পোস্ট, পেইজ ইত্যাদি খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আর একইভাবে xml Sitemap সাহায্য করে Search Engine কে।
    আপনি যদি Google Search Console এ আপনার সাইটের Sitemap টি সাবমিট করেন তাহলে Sitemap টি গুগল কে আপনার সাইটের সকল লিংক গুলো ইনডেক্স করতে সাহায্য করবে যা গুগলে ভালো র্যাংক (Rank) পাবার জন্য অনেক বড় একটা প্লাস পয়েন্ট।
    এবার চলুন আমরা কাজ শুরু করি।
    Step 1: প্রথমে আপনিচের লিংকে চলে যান। Google Search Console
    Step 2: লিংকে যাবার পর আপনার সাইট সিলেক্ট করুন যে সাইটের Sitemap আপনি সাবমিট করতে চান।
    Step 3: তারপর বামদিকে থাকা Crawl এ ক্লিক করুন এবার Sitemap এ ক্লিক করুন।

    Step 4: এবার Add/Test বাটনে ক্লিক করুন এবং যে বক্সটা আসবে সেখানে নিচের কোডটা বসিয়ে Add ক্লিক করুন।
    atom.xml?redirect=false&start-index=1&max-results=500

    বিঃদ্রঃ আপনার সাইটে যদি ৫০০ থেকে বেশি পোস্ট থাকে এ ক্ষেত্রে আপনাকে আরেকটা Sitemap Submit করা লাগবে। সেক্ষেত্রে start-index=1 এর জায়গায় দিবেন start-index=501 এবং max-results=500 এর জায়গায় দিবেন max-results=1000 পরবর্তীতে আরো পোস্ট বাড়তে থাকলে আপনি যদি আরো Sitemap সাবমিট করতে চান তাহলে উপরের প্যাটার্ন অনুযায়ী সাবমিট করবেন।
    আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আজকের মত এখানেই শেষ করছি। কোনকিছু বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানান।

    Saturday, March 9, 2019

    Android মোবাইল এর জন্য সেরা ১০ টি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ

    March 09, 2019 0

    বন্ধুরা আজকে আমি Play Store এ থাকা টপ ১০ টি ভিডিও এডিটর নিয়ে কথা বলবো। এসব এডিটর দিয়ে আপনি আপনার Android Mobile দিয়ে কম্পিউটার এর মত প্রফেশনাল ভাবে ভিডিও এডিট করতে পারবেন। এই ভিডিও এডিটর অ্যাপগুলোর সাহায্যে আপনি আপনার ভিডিওগুলো সহজেই এডিট করতে পারবেন এবং তা ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার বা ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করতে পারবেন।

    ১। ফিল্মোরা গো (FilmoraGo) :


    ফিল্মোরা গো একটি অসাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ভিডিও এডিটিং অ্যাপ যা অনেক ব্যবহারকারীই পছন্দ করেন। ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও কাটিং, থিম এড করা, মিউজিক এড করা ইত্যাদি সকল প্রাথমিক ফাংশন ব্যবহার করে খুব সহজেই একটি ভিডিও এডিট করা যাবে।
    ফিল্মোরা গো ব্যবহার করে আপনি বিভিন্ন অনুপাতের ভিডিও এডিট করতে পারবেন। যেমন ইন্সট্যাগ্রামের জন্য ১:১ অনুপাতের, ইউটিউবের জন্য ১৬:৯ অনুপাতের ভিডিও এডিট করা যাবে। এছাড়া ট্রানজিশন, স্লো মোশন, টেক্সট ব্যবহার করে ভিডিওকে আরো আকর্ষণীয় করা যাবে।
    ভিডিও এডিট করার পর আপনি চাইলে তা গ্যালারিতে সেভ করতে পারবেন অথবা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোর হতে ফিল্মোরা গো বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। অ্যাপটির ফ্রী ভার্সনেই বেসিক সকল ফিচার রয়েছে। ফিল্মোরা গো অ্যান্ড্রয়েড ৪.৩ থেকে পরবর্তী সকল ভার্সনই সমর্থন করে।
    বিশেষ ফিচারঃ
    ফিল্মোরা গোতে রয়েছে অসাধারণ সব টেমপ্লেট এবং ইফেক্ট রয়েছে অনেকগুলো প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং টুলস, রিয়েল টাইম প্রিভিউ সমর্থিত, ডিরেক্ট সোশ্যাল শেয়ারিং সমর্থিত

    ২। একশন ডিরেক্টর (ActionDirector) :


    আজকের লিস্টের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে অ্যাকশন ডিরেক্টর। এটি বেশ জনপ্রিয় একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। অ্যাকশন ডিরেক্টর ব্যবহার করে খুব সহজেই ভিডিও এডিটিং করা সম্ভব। অ্যাপটিতে থাকা ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও কাটিং, থিম, মিউজিক, ফিল্টার, ইফেক্ট, ট্রানজিশন ব্যবহার করে অসাধারণ সব ভিডিও এডিট করতে পারবেন।
    4K সাপোর্ট করে এমন ভিডিও এডিটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এই অ্যাকশন ডিরেক্টর। অ্যাপটিতে প্রয়োজনীয় ফাংশনগুলোর পাশাপাশি স্পিড এডিট, ভিডিও স্ট্যাবিলাইজার, স্লো মোশন, ফাস্ট মোশন, ভিডিও হাইলাইটিং সহ বেশ কিছু ফাংশন রয়েছে।
    গুগল প্লে স্টোর হতে অ্যাকশন ডিরেক্টর ডাউনলোড করা যাবে। এই অ্যাপটির একটি ভালো দিক হলো যে এটি ডেভলপার কর্তৃক খুব ঘন ঘন আপডেট পায়। অ্যাকশন ডিরেক্টর অ্যান্ড্রয়েড ৪.৩ থেকে পরবর্তী সকল ভার্সনই সমর্থন করে।
    বিশেষ ফিচারঃ
    4K সমর্থিত ভিডিও এডিটর রয়েছে কালার, ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট, স্যাচুরেশন এডজাস্টমেন্টের সুবিধা, রয়েছে এক ডজনেরও বেশি ট্রানজিশন

    ৩। অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপ (Adobe Premiere Clip) :


    আরেকটি অসাধারণ ভিডিও এডিটিং অ্যাপ হলো অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপ। অ্যাডোবি ২০১৫ সালে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য এই অ্যাপটি বাজারে ছাড়ে। অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপের সাহায্যে খুব তাড়াতাড়ি একটি ভিডিও এডিট করা সম্ভব। তাছাড়া অ্যাপটি ব্যবহার করাও সহজ।
    অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপের একটি বেস্ট ফিচার হলো অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি। অর্থাৎ আপনি ফটো বা ভিডিও ক্লিপ সিলেক্ট করে দিলে অ্যাপটি অটোমেটিক্যালি আপনার জন্য ভিডিও তৈরি করতে সক্ষম। তাছাড়া আপনি অ্যাপটিতে থাকা ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও কাটিং, থিম, মিউজিক, ফিল্টার, ইফেক্ট, ট্রানজিশন ব্যবহার করে অসাধারণ সব ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।
    অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপে ভিডিও এডিট করার পর আপনি চাইলে তা গ্যালারিতে সেভ করতে পারবেন অথবা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার করতে পারবেন। অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপ সম্পূর্ণ ফ্রি। গুগল প্লে স্টোর হতে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে। তাছাড়া এড-ফ্রি ইউজার ইন্টারফেস থাকায় আপনাকে কোন বিরক্তিকর এড এর মুখোমুখি হতে হবে না।
    বিশেষ ফিচারঃ
    অটো অডিও মিক্স ফিচার, অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি, তৈরিকৃত ভিডিও অ্যাডোবি প্রিমিয়ার প্রো সিসিতে এক্সপোর্ট করা যাবে।

    ৪। পাওয়ার ডিরেক্টর (PowerDirector) :


    পাওয়ার ডিরেক্টর একটি ফুলি ফিচার্ড অ্যান্ড্রয়েড ভিডিও এডিটিং অ্যাপ যার সহজেই ব্যবহারযোগ্য একটি টাইমলাইন ইন্টারফেস রয়েছে। অ্যাপটি ব্যবহার করা সহজ। কিন্ত কিছু ক্ষেত্রে অ্যাপটি কন্ট্রোল করতে আপনাকে সময় দিতে হতে পারে। তবে একবার পাওয়ার ডিরেক্টর ব্যবহার করাতে এক্সপার্ট হয়ে গেলে, আপনি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ইফেক্ট রিচ এবং প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।
    পাওয়ার ডিরেক্টরে ৩০টিরও বেশি ইফেক্ট রয়েছে যেগুলো ভিডিওতে ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপটি ব্যবহার করে গ্রীন স্ক্রীন ভিডিও তৈরি করা যাবে। এছাড়াও এটি দিয়ে টিউটোরিয়াল ভিডিও তৈরি করা যাবে।
    পাওয়ার ডিরেক্টর ফ্রী ভার্সনে প্রায় সমস্ত প্রয়োজনীয় ফিচারও রয়েছে। তবে একবার ফ্রি ভার্সন আপগ্রেড করে নিলে বাড়তি অনেকগুলো বেনিফিট পাওয়া যাবে। যেমন ওয়াটার মার্ক এবং অ্যাড রিমুভ করা যাবে, 1080P এবং 4K রেজুলেশনে ভিডিও এক্সট্রাক্টও করা যাবে। পাওয়ার ডিরেক্টর অ্যান্ড্রয়েড ৪.৫ থেকে পরবর্তী সকল ভার্সনই সমর্থন করে।
    বিশেষ ফিচারঃ
    ভিডিও 4K রেজুলেশনে এক্সপোর্ট করা যাবে, স্লো মোশন ভিডিও এডিটর, ‘Chroma’ কী সিলেক্টর

    ৫। কাইনমাস্টার (KineMaster) :


    প্লে স্টোরে থাকা সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে বেশি ফিচার সমৃদ্ধ অ্যাপ হলো এটি। ভালো ইউজার ইন্টারফেস এবং ফিচার সমৃদ্ধ অ্যান্ড্রয়েডের জন্য একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ হলো কাইনমাস্টার। এটি খুবই শক্তিশালী একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। অ্যাপটিতে থাকা ড্র্যাগ-এন-ড্রপ ফিচার ব্যবহার করে খুব সহজে বিভিন্ন মিডিয়া ফাইল ইমপোর্ট করা যাবে। কাইনমাস্টার ব্যবহার করা অনেক সহজ এবং এটি দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করা সম্ভব।
    কাইনমাস্টার ফ্রী ভার্সনে ভিডিও এডিট করার জন্য প্রায় সমস্ত প্রয়োজনীয় ফিচারই রয়েছে। তবে ভিডিও হতে ওয়াটারমার্ক রিমুভ করতে এবং প্রিমিয়াম ফিচারগুলোতে অ্যাক্সেস করতে আপনাকে অবশ্যই কাইনমাস্টারের প্রিমিয়াম ভার্সনটি কিনতে হবে।
    বিশেষ ফিচারঃ
    মিডিয়া ফাইল ইমপোর্ট করতে রয়েছে ড্র্যাগ-এন-ড্রপ ফিচার রয়েছে, ভিডিওতে মাল্টিপল লেয়ার ব্যবহারের সুবিধা, রিয়েল টাইম প্রিভিউ সমর্থিত.. এটি হলো সেরা ভিডিও এডিটিং অ্যাপ আমার মতে।

    ৬। ভিডিওশো (VideoShow) :


    ভিডিওশো রিলিজ হওয়ার পর থেকে অনেকগুলো উল্লেখযোগ্য পুরষ্কার জিতেছে এবং নিঃসন্দেহে প্লে স্টোরে থাকা বিনামূল্যে উপলব্ধ অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ভিডিও এডিটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে একটি। ভিডিওশোর একটি ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস রয়েছে। তাছাড়া অ্যাপটি ব্যবহার করাও সহজ। অ্যাপটিতে থাকা প্রয়োজনীয় ফাংশনগুলোর পাশাপাশি আপনি টেক্সট, ইফেক্ট, মিউজিক, সাউন্ড ইফেক্ট বা লাইভ ডাবিং যোগ করে আপনি আপনার ভিডিওটিকে আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে পারেন।
    ভিডিওশোতে ৫০টিরও অধিক থিম রয়েছে। এছাড়া আপনি ভিডিওশো ব্যবহার করে ভিডিও এর কোয়ালিটি ঠিক রেখে ভিডিও এর সাইজও কমাতে পারবেন। ভিডিওশোকে ফিল্মোরা গোর বেস্ট আল্টারনেটিভ বলা যায় যা প্রায় সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনই সাপোর্ট করে।
    বিশেষ ফিচারঃ
    ব্লারড ব্যাকগ্রাউন্ড, অডিও স্পিড এডজাস্টমেন্ট, ভয়েস এনহান্সমেন্ট ফিচার, ভিডিও বা স্লাইডশো ‘beautify’ করতে রয়েছে ৫০+ থিম, ভিডিও এর সাউন্ড ট্র্যাক mp3 তে রুপান্তর করা যাবে

    ৭। কুইক (Quik) :


    কুইক একটি অসাধারণ ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। কুইককে একটি নির্ভরযোগ্য ভিডিও এডিটিং অ্যাপও বলা যেতে পারে। কেননা এটি ফাস্ট, ব্যবহার করা সহজ এবং অবশ্যই এটি ফ্রী। কুইক ভিডিও এডিটিং অ্যাপের একটি সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস আছে এবং অ্যাপটিতে ভিডিও এডিট করার জন্য ৫০ টিরও অধিক ভিডিও এবং ফটো একসাথে এড করা যাবে। অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপের মতো কুইকের অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি আছে। ফলে আপনি ফটো বা ভিডিও ক্লিপ সিলেক্ট করে দিলে অ্যাপটি অটোমেটিক্যালি আপনার জন্য ভিডিও তৈরি করে দিবে। ভিডিও এডিট করার জন্য প্রায় সকল ফিচারই এতে প্যাক করা হয়েছে। আপনি যদি সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস সমৃদ্ধ কোন ভিডিও এডিটিং অ্যাপ চান তাহলে এটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
    বিশেষ ফিচারঃ
    অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি, 60fps এ ভিডিও সেভ করা যাবে, ডিরেক্টট সোশ্যাল শেয়ারিং সমর্থিত

    ৮। ভিভাভিডিও (VivaVideo) :


    ভিভাভিডিও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। অ্যাপটিতে রয়েছে দারুণ সব ফিচার। ভিভাভিডিওকে এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে খুব সহজেই ব্যবহারকারীগণ প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিট করতে পারেন। ভিভাভিডিও ব্যবহার করে আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য শর্ট ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।
    বিশ্বব্যাপী ভিভাভিডিও এর ২০০ মিলিয়নেরও বেশি ইউজার রয়েছে। অ্যাপটিতে কয়েক শত ইফেক্ট এবং ফিল্টার আছে যা ব্যবহার করে ভিডিওকে করা যাবে আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয়। ভিভাভিডিওর একটি ফ্রী ভার্সন প্লে স্টোরে রয়েছে। তবে এতে ওয়াটারমার্ক ও টাইম লিমিটের মতো কিছু লিমিটেশন রয়েছে। তাই প্রিমিয়াম ফিচারগুলোতে অ্যাক্সেস করতে আপনাকে অবশ্যই প্রো ভার্সনটি কিনতে হবে।
    বিশেষ ফিচারঃ
    বিল্ট-ইন স্লো মোশন ভিডিও মেকার, ২০০+ ইফেক্ট এবং ফিল্টার, রয়েছে Collage ভিডিও তৈরি করার সুবিধা

    ৯। ফানিমেট (FuniMate) :


    ফানিমেট ভিডিও এডিটর ব্যবহার করে খুব সহজে ফানি ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। অ্যাপটিতে ১০০ টিরও বেশি অ্যাডভান্স ইফেক্ট রয়েছে। ফানিমেট তেমন শক্তিশালী ভিডিও এডিটিং অ্যাপ না হলেও আপনি অ্যাপটির সাহায্যে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য অসাধারণ সব শর্ট ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। এটি শর্ট ভিডিও তৈরি করার জন্য আদর্শ একটি অ্যাপ। ফানিমেট অ্যাপ ব্যবহার করতে আপনাকে সাইন ইন করতে হবে। ফানিমেট সম্পূর্ণ ফ্রি একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। তবে এতে অ্যাড ফ্রী ইউজার ইন্টারফেস না থাকায় আপনি বিরক্তিকর এড এর সম্মুখীন হতে পারেন।
    বিশেষ ফিচারঃ
    অ্যাপটিতে রয়েছে একটি ডেডিকেটেড ফানিমেট ভিডিও কমিউনিটি, রয়েছে Collage ভিডিও তৈরি করার সুবিধা, ১০০+ অ্যাডভান্স ভিডিও ইফেক্ট

    ১০। মাগিয়েস্তো ভিডিও এডিটর (Magisto Video Editor) :


    মাগিয়েস্তো একটি চমৎকার ফর্মাল ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। মাগিয়েস্তোর সাহায্যে খুব তাড়াতাড়ি একটি ভিডিও এডিট করা সম্ভব। এটি অটোমেটিক্যালি ভিডিও ক্লিপস, ফটো, মিউজিক, টেক্সট, ভিডিও ইফেক্ট এবং ভিডিও ফিল্টারগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম। ফলে আপনি খুব সহজে চমৎকার সব ভিডিও এডিট করতে পারবেন।
    মাগিয়েস্তো অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি সমৃদ্ধ একটি অ্যাপ। অ্যাপটিতে একটি অত্যাধুনিক এআইও আছে যা ভিডিও এনালাইজ করতে সাহায্য করে। মাগিয়েস্তোকে ফিল্মোরা গোর আরেকটি বেস্ট অল্টারনেটিভ ভিডিও এডিটিং অ্যাপ বলা যেতে পারে। কিছু ইন-অ্যাপ-পারচেজের সাথে অ্যাপটি সম্পূর্ণ ফ্রি।
    বিশেষ ফিচারঃ
    অ্যাপটিতে রয়েছে অ্যাডভান্স টুলস, রয়েছে চমৎকার অটো এডিটিং ফিচার, ডিরেক্ট সোশ্যাল শেয়ারিং সমর্থিত

    আজকের মত এখানেই শেষ করছি, আপনার কাছে কোন ভিডিও এডিটরটি সেরা মনে হয়েছে বা আপনি কোনটি ব্যবহার করেন তা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। আর ভালো লাগলে পোস্ট টি ফেসবুকে শেয়ার করতে পারেন।

    Friday, March 8, 2019

    ডাউনলোড করে নিন Shareit Latest Ad Free Version

    March 08, 2019 0
    আমরা যারা Android মোবাইল ব্যবহার করি তাদের প্রতিদিনের জীবনে অন্যতম প্রয়োজনীয় একটি App হলো Shareit. বন্ধুর কাছ থেকে কোন কিছু নিজের মোবাইলে আনা অথবা কাওকে কিছু দেয়া সবকিছুতেই প্রয়োজন হয় এই Shareit এর। তাই প্রায় সবার মোবাইলে এই App টা থাকে। কিন্তু বর্তমানে Shareit এর Latest Version এ অনেক সমস্যা হয়। যেমনঃ প্রচুর এডস আসে, এমবি খরচ করে, অনেক পারমিশন চায়, ব্লুটুথ, লোকেশন ইত্যাদি চালু করা লাগে। এর মধ্যে অন্যতম সমস্যা হলো এড। Shareit এ ঢুকলে প্রচুর এডস আসে অনেক ভিডিও আসে যার কারনে কাজের সময় অনেক সমস্যা হয়, তাই বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি Shareit Latest Ad Free Version.
    বন্ধুরা এটাতে কোন বিরক্তিকর এড আসবে না তাই জরুরি কাজেও কোন সমস্যা হবেনা। নিচে কিছু স্ক্রিনশট দিলাম।

    বন্ধুরা দেখলেন তো এটা Shareit এর একদম লেটেস্ট ভার্শন এবং এতে কোন এড নেই। তাহলে আর দেরি না করে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন।
    Download