Android মোবাইল এর জন্য সেরা ১০ টি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ - BengaliTut.Com

Saturday, March 9, 2019

Android মোবাইল এর জন্য সেরা ১০ টি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ


বন্ধুরা আজকে আমি Play Store এ থাকা টপ ১০ টি ভিডিও এডিটর নিয়ে কথা বলবো। এসব এডিটর দিয়ে আপনি আপনার Android Mobile দিয়ে কম্পিউটার এর মত প্রফেশনাল ভাবে ভিডিও এডিট করতে পারবেন। এই ভিডিও এডিটর অ্যাপগুলোর সাহায্যে আপনি আপনার ভিডিওগুলো সহজেই এডিট করতে পারবেন এবং তা ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার বা ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করতে পারবেন।

১। ফিল্মোরা গো (FilmoraGo) :


ফিল্মোরা গো একটি অসাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ভিডিও এডিটিং অ্যাপ যা অনেক ব্যবহারকারীই পছন্দ করেন। ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও কাটিং, থিম এড করা, মিউজিক এড করা ইত্যাদি সকল প্রাথমিক ফাংশন ব্যবহার করে খুব সহজেই একটি ভিডিও এডিট করা যাবে।
ফিল্মোরা গো ব্যবহার করে আপনি বিভিন্ন অনুপাতের ভিডিও এডিট করতে পারবেন। যেমন ইন্সট্যাগ্রামের জন্য ১:১ অনুপাতের, ইউটিউবের জন্য ১৬:৯ অনুপাতের ভিডিও এডিট করা যাবে। এছাড়া ট্রানজিশন, স্লো মোশন, টেক্সট ব্যবহার করে ভিডিওকে আরো আকর্ষণীয় করা যাবে।
ভিডিও এডিট করার পর আপনি চাইলে তা গ্যালারিতে সেভ করতে পারবেন অথবা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোর হতে ফিল্মোরা গো বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। অ্যাপটির ফ্রী ভার্সনেই বেসিক সকল ফিচার রয়েছে। ফিল্মোরা গো অ্যান্ড্রয়েড ৪.৩ থেকে পরবর্তী সকল ভার্সনই সমর্থন করে।
বিশেষ ফিচারঃ
ফিল্মোরা গোতে রয়েছে অসাধারণ সব টেমপ্লেট এবং ইফেক্ট রয়েছে অনেকগুলো প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং টুলস, রিয়েল টাইম প্রিভিউ সমর্থিত, ডিরেক্ট সোশ্যাল শেয়ারিং সমর্থিত

২। একশন ডিরেক্টর (ActionDirector) :


আজকের লিস্টের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে অ্যাকশন ডিরেক্টর। এটি বেশ জনপ্রিয় একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। অ্যাকশন ডিরেক্টর ব্যবহার করে খুব সহজেই ভিডিও এডিটিং করা সম্ভব। অ্যাপটিতে থাকা ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও কাটিং, থিম, মিউজিক, ফিল্টার, ইফেক্ট, ট্রানজিশন ব্যবহার করে অসাধারণ সব ভিডিও এডিট করতে পারবেন।
4K সাপোর্ট করে এমন ভিডিও এডিটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এই অ্যাকশন ডিরেক্টর। অ্যাপটিতে প্রয়োজনীয় ফাংশনগুলোর পাশাপাশি স্পিড এডিট, ভিডিও স্ট্যাবিলাইজার, স্লো মোশন, ফাস্ট মোশন, ভিডিও হাইলাইটিং সহ বেশ কিছু ফাংশন রয়েছে।
গুগল প্লে স্টোর হতে অ্যাকশন ডিরেক্টর ডাউনলোড করা যাবে। এই অ্যাপটির একটি ভালো দিক হলো যে এটি ডেভলপার কর্তৃক খুব ঘন ঘন আপডেট পায়। অ্যাকশন ডিরেক্টর অ্যান্ড্রয়েড ৪.৩ থেকে পরবর্তী সকল ভার্সনই সমর্থন করে।
বিশেষ ফিচারঃ
4K সমর্থিত ভিডিও এডিটর রয়েছে কালার, ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট, স্যাচুরেশন এডজাস্টমেন্টের সুবিধা, রয়েছে এক ডজনেরও বেশি ট্রানজিশন

৩। অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপ (Adobe Premiere Clip) :


আরেকটি অসাধারণ ভিডিও এডিটিং অ্যাপ হলো অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপ। অ্যাডোবি ২০১৫ সালে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য এই অ্যাপটি বাজারে ছাড়ে। অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপের সাহায্যে খুব তাড়াতাড়ি একটি ভিডিও এডিট করা সম্ভব। তাছাড়া অ্যাপটি ব্যবহার করাও সহজ।
অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপের একটি বেস্ট ফিচার হলো অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি। অর্থাৎ আপনি ফটো বা ভিডিও ক্লিপ সিলেক্ট করে দিলে অ্যাপটি অটোমেটিক্যালি আপনার জন্য ভিডিও তৈরি করতে সক্ষম। তাছাড়া আপনি অ্যাপটিতে থাকা ভিডিও ট্রিমিং, ভিডিও কাটিং, থিম, মিউজিক, ফিল্টার, ইফেক্ট, ট্রানজিশন ব্যবহার করে অসাধারণ সব ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।
অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপে ভিডিও এডিট করার পর আপনি চাইলে তা গ্যালারিতে সেভ করতে পারবেন অথবা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার করতে পারবেন। অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপ সম্পূর্ণ ফ্রি। গুগল প্লে স্টোর হতে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে। তাছাড়া এড-ফ্রি ইউজার ইন্টারফেস থাকায় আপনাকে কোন বিরক্তিকর এড এর মুখোমুখি হতে হবে না।
বিশেষ ফিচারঃ
অটো অডিও মিক্স ফিচার, অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি, তৈরিকৃত ভিডিও অ্যাডোবি প্রিমিয়ার প্রো সিসিতে এক্সপোর্ট করা যাবে।

৪। পাওয়ার ডিরেক্টর (PowerDirector) :


পাওয়ার ডিরেক্টর একটি ফুলি ফিচার্ড অ্যান্ড্রয়েড ভিডিও এডিটিং অ্যাপ যার সহজেই ব্যবহারযোগ্য একটি টাইমলাইন ইন্টারফেস রয়েছে। অ্যাপটি ব্যবহার করা সহজ। কিন্ত কিছু ক্ষেত্রে অ্যাপটি কন্ট্রোল করতে আপনাকে সময় দিতে হতে পারে। তবে একবার পাওয়ার ডিরেক্টর ব্যবহার করাতে এক্সপার্ট হয়ে গেলে, আপনি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ইফেক্ট রিচ এবং প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।
পাওয়ার ডিরেক্টরে ৩০টিরও বেশি ইফেক্ট রয়েছে যেগুলো ভিডিওতে ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপটি ব্যবহার করে গ্রীন স্ক্রীন ভিডিও তৈরি করা যাবে। এছাড়াও এটি দিয়ে টিউটোরিয়াল ভিডিও তৈরি করা যাবে।
পাওয়ার ডিরেক্টর ফ্রী ভার্সনে প্রায় সমস্ত প্রয়োজনীয় ফিচারও রয়েছে। তবে একবার ফ্রি ভার্সন আপগ্রেড করে নিলে বাড়তি অনেকগুলো বেনিফিট পাওয়া যাবে। যেমন ওয়াটার মার্ক এবং অ্যাড রিমুভ করা যাবে, 1080P এবং 4K রেজুলেশনে ভিডিও এক্সট্রাক্টও করা যাবে। পাওয়ার ডিরেক্টর অ্যান্ড্রয়েড ৪.৫ থেকে পরবর্তী সকল ভার্সনই সমর্থন করে।
বিশেষ ফিচারঃ
ভিডিও 4K রেজুলেশনে এক্সপোর্ট করা যাবে, স্লো মোশন ভিডিও এডিটর, ‘Chroma’ কী সিলেক্টর

৫। কাইনমাস্টার (KineMaster) :


প্লে স্টোরে থাকা সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে বেশি ফিচার সমৃদ্ধ অ্যাপ হলো এটি। ভালো ইউজার ইন্টারফেস এবং ফিচার সমৃদ্ধ অ্যান্ড্রয়েডের জন্য একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ হলো কাইনমাস্টার। এটি খুবই শক্তিশালী একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। অ্যাপটিতে থাকা ড্র্যাগ-এন-ড্রপ ফিচার ব্যবহার করে খুব সহজে বিভিন্ন মিডিয়া ফাইল ইমপোর্ট করা যাবে। কাইনমাস্টার ব্যবহার করা অনেক সহজ এবং এটি দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করা সম্ভব।
কাইনমাস্টার ফ্রী ভার্সনে ভিডিও এডিট করার জন্য প্রায় সমস্ত প্রয়োজনীয় ফিচারই রয়েছে। তবে ভিডিও হতে ওয়াটারমার্ক রিমুভ করতে এবং প্রিমিয়াম ফিচারগুলোতে অ্যাক্সেস করতে আপনাকে অবশ্যই কাইনমাস্টারের প্রিমিয়াম ভার্সনটি কিনতে হবে।
বিশেষ ফিচারঃ
মিডিয়া ফাইল ইমপোর্ট করতে রয়েছে ড্র্যাগ-এন-ড্রপ ফিচার রয়েছে, ভিডিওতে মাল্টিপল লেয়ার ব্যবহারের সুবিধা, রিয়েল টাইম প্রিভিউ সমর্থিত.. এটি হলো সেরা ভিডিও এডিটিং অ্যাপ আমার মতে।

৬। ভিডিওশো (VideoShow) :


ভিডিওশো রিলিজ হওয়ার পর থেকে অনেকগুলো উল্লেখযোগ্য পুরষ্কার জিতেছে এবং নিঃসন্দেহে প্লে স্টোরে থাকা বিনামূল্যে উপলব্ধ অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ভিডিও এডিটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে একটি। ভিডিওশোর একটি ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস রয়েছে। তাছাড়া অ্যাপটি ব্যবহার করাও সহজ। অ্যাপটিতে থাকা প্রয়োজনীয় ফাংশনগুলোর পাশাপাশি আপনি টেক্সট, ইফেক্ট, মিউজিক, সাউন্ড ইফেক্ট বা লাইভ ডাবিং যোগ করে আপনি আপনার ভিডিওটিকে আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে পারেন।
ভিডিওশোতে ৫০টিরও অধিক থিম রয়েছে। এছাড়া আপনি ভিডিওশো ব্যবহার করে ভিডিও এর কোয়ালিটি ঠিক রেখে ভিডিও এর সাইজও কমাতে পারবেন। ভিডিওশোকে ফিল্মোরা গোর বেস্ট আল্টারনেটিভ বলা যায় যা প্রায় সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনই সাপোর্ট করে।
বিশেষ ফিচারঃ
ব্লারড ব্যাকগ্রাউন্ড, অডিও স্পিড এডজাস্টমেন্ট, ভয়েস এনহান্সমেন্ট ফিচার, ভিডিও বা স্লাইডশো ‘beautify’ করতে রয়েছে ৫০+ থিম, ভিডিও এর সাউন্ড ট্র্যাক mp3 তে রুপান্তর করা যাবে

৭। কুইক (Quik) :


কুইক একটি অসাধারণ ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। কুইককে একটি নির্ভরযোগ্য ভিডিও এডিটিং অ্যাপও বলা যেতে পারে। কেননা এটি ফাস্ট, ব্যবহার করা সহজ এবং অবশ্যই এটি ফ্রী। কুইক ভিডিও এডিটিং অ্যাপের একটি সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস আছে এবং অ্যাপটিতে ভিডিও এডিট করার জন্য ৫০ টিরও অধিক ভিডিও এবং ফটো একসাথে এড করা যাবে। অ্যাডোবি প্রিমিয়ার ক্লিপের মতো কুইকের অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি আছে। ফলে আপনি ফটো বা ভিডিও ক্লিপ সিলেক্ট করে দিলে অ্যাপটি অটোমেটিক্যালি আপনার জন্য ভিডিও তৈরি করে দিবে। ভিডিও এডিট করার জন্য প্রায় সকল ফিচারই এতে প্যাক করা হয়েছে। আপনি যদি সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস সমৃদ্ধ কোন ভিডিও এডিটিং অ্যাপ চান তাহলে এটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
বিশেষ ফিচারঃ
অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি, 60fps এ ভিডিও সেভ করা যাবে, ডিরেক্টট সোশ্যাল শেয়ারিং সমর্থিত

৮। ভিভাভিডিও (VivaVideo) :


ভিভাভিডিও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। অ্যাপটিতে রয়েছে দারুণ সব ফিচার। ভিভাভিডিওকে এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে খুব সহজেই ব্যবহারকারীগণ প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিট করতে পারেন। ভিভাভিডিও ব্যবহার করে আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য শর্ট ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।
বিশ্বব্যাপী ভিভাভিডিও এর ২০০ মিলিয়নেরও বেশি ইউজার রয়েছে। অ্যাপটিতে কয়েক শত ইফেক্ট এবং ফিল্টার আছে যা ব্যবহার করে ভিডিওকে করা যাবে আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয়। ভিভাভিডিওর একটি ফ্রী ভার্সন প্লে স্টোরে রয়েছে। তবে এতে ওয়াটারমার্ক ও টাইম লিমিটের মতো কিছু লিমিটেশন রয়েছে। তাই প্রিমিয়াম ফিচারগুলোতে অ্যাক্সেস করতে আপনাকে অবশ্যই প্রো ভার্সনটি কিনতে হবে।
বিশেষ ফিচারঃ
বিল্ট-ইন স্লো মোশন ভিডিও মেকার, ২০০+ ইফেক্ট এবং ফিল্টার, রয়েছে Collage ভিডিও তৈরি করার সুবিধা

৯। ফানিমেট (FuniMate) :


ফানিমেট ভিডিও এডিটর ব্যবহার করে খুব সহজে ফানি ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। অ্যাপটিতে ১০০ টিরও বেশি অ্যাডভান্স ইফেক্ট রয়েছে। ফানিমেট তেমন শক্তিশালী ভিডিও এডিটিং অ্যাপ না হলেও আপনি অ্যাপটির সাহায্যে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য অসাধারণ সব শর্ট ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। এটি শর্ট ভিডিও তৈরি করার জন্য আদর্শ একটি অ্যাপ। ফানিমেট অ্যাপ ব্যবহার করতে আপনাকে সাইন ইন করতে হবে। ফানিমেট সম্পূর্ণ ফ্রি একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। তবে এতে অ্যাড ফ্রী ইউজার ইন্টারফেস না থাকায় আপনি বিরক্তিকর এড এর সম্মুখীন হতে পারেন।
বিশেষ ফিচারঃ
অ্যাপটিতে রয়েছে একটি ডেডিকেটেড ফানিমেট ভিডিও কমিউনিটি, রয়েছে Collage ভিডিও তৈরি করার সুবিধা, ১০০+ অ্যাডভান্স ভিডিও ইফেক্ট

১০। মাগিয়েস্তো ভিডিও এডিটর (Magisto Video Editor) :


মাগিয়েস্তো একটি চমৎকার ফর্মাল ভিডিও এডিটিং অ্যাপ। মাগিয়েস্তোর সাহায্যে খুব তাড়াতাড়ি একটি ভিডিও এডিট করা সম্ভব। এটি অটোমেটিক্যালি ভিডিও ক্লিপস, ফটো, মিউজিক, টেক্সট, ভিডিও ইফেক্ট এবং ভিডিও ফিল্টারগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম। ফলে আপনি খুব সহজে চমৎকার সব ভিডিও এডিট করতে পারবেন।
মাগিয়েস্তো অটোমেটিক ভিডিও ক্রিয়েশন ক্যাপাবিলিটি সমৃদ্ধ একটি অ্যাপ। অ্যাপটিতে একটি অত্যাধুনিক এআইও আছে যা ভিডিও এনালাইজ করতে সাহায্য করে। মাগিয়েস্তোকে ফিল্মোরা গোর আরেকটি বেস্ট অল্টারনেটিভ ভিডিও এডিটিং অ্যাপ বলা যেতে পারে। কিছু ইন-অ্যাপ-পারচেজের সাথে অ্যাপটি সম্পূর্ণ ফ্রি।
বিশেষ ফিচারঃ
অ্যাপটিতে রয়েছে অ্যাডভান্স টুলস, রয়েছে চমৎকার অটো এডিটিং ফিচার, ডিরেক্ট সোশ্যাল শেয়ারিং সমর্থিত

আজকের মত এখানেই শেষ করছি, আপনার কাছে কোন ভিডিও এডিটরটি সেরা মনে হয়েছে বা আপনি কোনটি ব্যবহার করেন তা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। আর ভালো লাগলে পোস্ট টি ফেসবুকে শেয়ার করতে পারেন।

No comments:

Post a Comment